ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় গুলি ও ছুরিকাঘাতে যুবকের মৃত্যু
Guest User Guest User

ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় গুলি ও ছুরিকাঘাতে যুবকের মৃত্যু

ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় গুলি ও ছুরিকাঘাতে এক যুবকের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে পুলিশ।

নিহত রাকিব আহমেদ (২৫) বোরহান উদ্দিন কলেজের বিএ দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি টিকটক ও বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের জন্য ভিডিও কন্টেন্ট বানাতেন। রাকিবের বাবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী।

রোববার রাত সোয়া ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে শাহবাগ থানা পুলিশ।

শাহবাগ থানার এসআই মিঠু ফকির বলেন, রাতে শহীদ মিনারে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিলেন রাকিব। সেখানে তিন-চারজন এলোপাথারি ছুরিকাঘাতের পাশাপাশি মাথায় গুলি করলে রাকিবের মৃত্যু হয়। নিহতের বন্ধু আল-মিনের ভাষ্য, ছুরিকাঘাত ও গুলি করার পর হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।

রাকিবের গ্রামের বাড়ি ভোলা সদরের চৌমুহনী গ্রামে। তার বাবার নাম তরিকুল ইসলাম খোকন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৈত্রী হলের কর্মী। বর্তমানে নিমতলী নাজিম উদ্দিন রোডে পরিবারের সাথে থাকতেন রাকিব।

Read More
কচুয়ায় সরদার বজলুর রহমান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
Guest User Guest User

কচুয়ায় সরদার বজলুর রহমান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

বাগেরহাটে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা: বিএনপি নেতাসহ ১৪ জন নিহত, প্রতিমন্ত্রীর শোক

কামরুজ্জামান শিমুল, বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি:

বাগেরহাটের রামপালে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় মংলা পৌর বিএনপির এক নেতাসহ ১৪ জন নিহত হয়েছেন। নিহতরা সবাই একটি মাইক্রোবাসের যাত্রী ছিলেন। এ মর্মান্তিক ঘটনায় মংলা শহরসহ আশপাশের এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেল চারটার দিকে খুলনা–মোংলা মহাসড়কের রামপাল উপজেলার গুনাই ব্রিজ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন মংলা পৌর বিএনপির ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক (৬২), আহাদুর রহমান সাব্বির (৩০), আব্দুল্লাহ সানি (৩০), ঐশি (২৮), ফাহিম শিকারি (১), ফারহানা সিদ্দিকা (৩৩), আলিফ (১৩), আরফা (৭), আয়রা (২), আনোয়ারা বেগম (৫৮), মার্জিয়া আক্তার মিতু (২৫), মিনারুল আলম সবুজ (৪২) এবং মাইক্রোবাসের চালক মো. নাইম হোসাইন (২৭)।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আব্দুর রাজ্জাক তার পুত্রবধূ ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে খুলনার কয়রা উপজেলার নাকশা এলাকা থেকে একটি বড় মাইক্রোবাস (হাইয়েস) গাড়িতে করে মংলার উদ্দেশ্যে রওনা হন। বিকেল চারটার দিকে মাইক্রোবাসটি রামপালের গুনাই ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা মংলা থেকে খুলনাগামী বাংলাদেশ নৌবাহিনীর একটি দ্রুতগামী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসের সদস্য ও স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। আহতদের উদ্ধার করে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। উদ্ধারকারীরা আহতদের মধ্যে চারজনকে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদিকে গুরুতর আহতদের খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে আরও ১০ জনের মৃত্যু হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মাইক্রোবাসের চালকসহ মোট ১৪ জনের মৃত্যুর বিষয়টি বিভিন্ন সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম। এক শোকবার্তায় তিনি নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। একই সঙ্গে তিনি সবাইকে ধৈর্য ধারণ করার আহ্বান জানান। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় একটি পরিবারের বহু সদস্য একসঙ্গে প্রাণ হারানোয় এলাকায় গভীর শোক ও শোকাবহ পরিবেশ বিরাজ করছে।

Read More